প্রিন্ট এর তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রাথমিকের কাজ দেখতে ১৮০ কর্মকর্তাকে মাঠে পাঠাচ্ছে অধিদপ্তরা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ||
প্রাথমিক শিক্ষার মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম কতটা ঠিকভাবে চলছে, তা সরেজমিনে দেখতে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় ১৮০ কর্মকর্তাকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্ধারিত এলাকায় গিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের পাশাপাশি সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করবেন তারা।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আগস্ট মাসের মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর জারি করা অফিস আদেশে কর্মকর্তাদের নামের পাশে নির্ধারিত উপজেলা ও থানার তালিকাও প্রকাশ করা হয়।আদেশ অনুযায়ী, আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে কর্মকর্তাদের নির্ধারিত এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।অফিস আদেশে বলা হয়েছে, মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও পরিচালকসহ অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা দেশের যেকোনো উপজেলা পরিদর্শন করতে পারবেন।এ ছাড়া অধিদপ্তরের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দিষ্ট উপজেলা ও থানায় পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নির্ধারিত এলাকার তালিকায় জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন জেলার উপজেলা রয়েছে।মাঠপর্যায়ে যাওয়ার আগে কর্মকর্তাদের নিজ নিজ বিভাগের পরিচালকের পূর্বানুমতি নিতে হবে। পরে পরিচালকরা তাদের আওতাধীন কর্মকর্তাদের পর্যায়ক্রমে মাঠপর্যায়ে যাওয়ার অনুমতি দেবেন।অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্ধারিত ট্যুর ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের নামের পাশে উল্লেখিত উপজেলা বা থানার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং ওই এলাকার তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করতে হবে। বিক্ষিপ্ত নমুনায়নের ভিত্তিতে একটি শহর ও দুটি গ্রামীণ বিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে।এসব এলাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরেজমিনে দুই দিন অবস্থান করে পরিদর্শন, পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে, অধিদপ্তরের অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্ধারিত উপজেলা বা থানার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করতে হবে। এর মধ্যে একটি শহর ও একটি গ্রামীণ বিদ্যালয় বিক্ষিপ্ত নমুনায়নের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে হবে। এসব কর্মকর্তাকে মাঠপর্যায়ে এক দিন অবস্থান করে বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম পরিদর্শন ও পর্যালোচনা করতে হবে।পরিদর্শন শেষে নির্ধারিত ছকে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। পরিদর্শন শেষ হওয়ার পরবর্তী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদনটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগে জমা দিতে হবে।এ ছাড়া প্রতিবেদন দাখিলের প্রমাণক কপি টিএ/ডিএ বিলের সঙ্গে সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।অফিস আদেশে বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা নিজ নিজ বেতন খাত থেকে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী টিএ/ডিএ পাবেন। আর অধিদপ্তরে সংযুক্তিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের টিএ/ডিএ বিল মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে হবে।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. মাসুদ হোসেন গত সোমবার (৫ অক্টোবর) এ অফিস আদেশে স্বাক্ষর করেন।প্রাথমিক শিক্ষার মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম কতটা ঠিকভাবে চলছে, তা সরেজমিনে দেখতে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় ১৮০ কর্মকর্তাকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্ধারিত এলাকায় গিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের পাশাপাশি সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করবেন তারা।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আগস্ট মাসের মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর জারি করা অফিস আদেশে কর্মকর্তাদের নামের পাশে নির্ধারিত উপজেলা ও থানার তালিকাও প্রকাশ করা হয়।আদেশ অনুযায়ী, আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে কর্মকর্তাদের নির্ধারিত এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।অফিস আদেশে বলা হয়েছে, মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও পরিচালকসহ অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা দেশের যেকোনো উপজেলা পরিদর্শন করতে পারবেন।এ ছাড়া অধিদপ্তরের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দিষ্ট উপজেলা ও থানায় পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নির্ধারিত এলাকার তালিকায় জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন জেলার উপজেলা রয়েছে।মাঠপর্যায়ে যাওয়ার আগে কর্মকর্তাদের নিজ নিজ বিভাগের পরিচালকের পূর্বানুমতি নিতে হবে। পরে পরিচালকরা তাদের আওতাধীন কর্মকর্তাদের পর্যায়ক্রমে মাঠপর্যায়ে যাওয়ার অনুমতি দেবেন।অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্ধারিত ট্যুর ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের নামের পাশে উল্লেখিত উপজেলা বা থানার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং ওই এলাকার তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করতে হবে। বিক্ষিপ্ত নমুনায়নের ভিত্তিতে একটি শহর ও দুটি গ্রামীণ বিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে।এসব এলাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরেজমিনে দুই দিন অবস্থান করে পরিদর্শন, পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে, অধিদপ্তরের অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্ধারিত উপজেলা বা থানার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করতে হবে। এর মধ্যে একটি শহর ও একটি গ্রামীণ বিদ্যালয় বিক্ষিপ্ত নমুনায়নের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে হবে। এসব কর্মকর্তাকে মাঠপর্যায়ে এক দিন অবস্থান করে বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম পরিদর্শন ও পর্যালোচনা করতে হবে।পরিদর্শন শেষে নির্ধারিত ছকে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। পরিদর্শন শেষ হওয়ার পরবর্তী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদনটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগে জমা দিতে হবে।এ ছাড়া প্রতিবেদন দাখিলের প্রমাণক কপি টিএ/ডিএ বিলের সঙ্গে সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।অফিস আদেশে বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা নিজ নিজ বেতন খাত থেকে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী টিএ/ডিএ পাবেন। আর অধিদপ্তরে সংযুক্তিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের টিএ/ডিএ বিল মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে হবে।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. মাসুদ হোসেন গত সোমবার (৫ অক্টোবর) এ অফিস আদেশে স্বাক্ষর করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক রেলওয়ে বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত