প্রিন্ট এর তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নান্দনিক সাজে চট্টগ্রামা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষ্যে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দিরের সামনের সড়কে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জিত গোলচত্বর। পদ্মফুলের নকশা, বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক স্থাপত্যে সাজানো এই গোলচত্বর নগরীর সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে নজর কেড়েছে।চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নির্মিত গোলচত্বরটিতে পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।আলোকসজ্জায় রাতে গোল চত্বরটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বৌদ্ধ দর্শনের মৈত্রী, করুণা, অহিংসা ও শান্তির আদর্শের সঙ্গে পদ্মফুলের প্রতীকী সৌন্দর্য মিলিয়ে গোলচত্বরটির নকশা করা হয়েছে। ফলে স্থাপনাটি নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি, চট্টগ্রামের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ঐতিহ্যকেও তুলে ধরছে।গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে নান্দনিকভাবে সাজানোর পাশাপাশি, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গড়ে তোলার প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়েছে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে এ ধরনের উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও আকর্ষণীয় ও বাসযোগ্য করে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রামকে আরও সুন্দর ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন নগরবাসী।সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন। একই দাবি ছিল সাধারণ বৌদ্ধ নর-নারীরও। অবশেষে, চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।এছাড়াও চট্টগ্রামের বিভিন্ন গোল চত্বর গুলো নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক রেলওয়ে বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত