দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও আইনানুগ লড়াইয়ের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের পরও বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি দুর্নীতিবাজ চক্রের অপতৎপরতা বন্ধ না হওয়ায় ফের কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিগত অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সমষ্টিগত স্বার্থ, ন্যায়বিচার এবং রেলওয়ে পোষ্যদের সাংবিধানিক ও নৈতিক অধিকার রক্ষার তাগিদে হ-য-ব-র-ল ও বিভ্রান্তিমূলক আচরণে লিপ্ত এক দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে “অবস্থান” কর্মসূচি পালন করা হবে।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী—
আগামী বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬,
সকাল ১০টায়,
চট্টগ্রাম সিআরবি দপ্তর প্রাঙ্গণে
এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির এক বিবৃতিতে বলেন,
“দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন ও আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আমরা বহুবার প্রমাণ করেছি—সংগঠিত ও ন্যায়ভিত্তিক সংগ্রাম কখনো ব্যর্থ হয় না। তবুও অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে আজও কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে পোষ্যদের ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে।”
তিনি আরও বলেন,
“ব্যক্তিগতভাবে আমরা সংঘাত চাই না। কিন্তু যখন সমষ্টিগত স্বার্থ, ন্যায়বিচার এবং রেলওয়ে পোষ্যদের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে পড়ে, তখন আপসহীন অবস্থান নেওয়াই দায়িত্ব। এই কর্মসূচি কোনো ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নয়—এটি দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অনিয়মের বিরুদ্ধে এবং প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে।”
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সকল নেতা-কর্মী ও সদস্যদের শৃঙ্খলা, সতর্কতা ও দায়িত্ববোধ বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পন্থায় কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করাই এর মূল লক্ষ্য।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়—
“দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান আপসহীন থাকবে। ন্যায় ও অধিকারের প্রশ্নে কোনো ছাড় নেই।”
বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সকল দায়িত্বশীল নেতা-কর্মী ও সাধারণ সদস্যদের নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত থেকে কর্মসূচিকে সফল করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রেলওয়ের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে এই ধরনের সংগঠিত অবস্থান কর্মসূচি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে এবং পোষ্যদের অধিকার প্রশ্নে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত ঘটাতে পারে।

সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও আইনানুগ লড়াইয়ের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের পরও বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি দুর্নীতিবাজ চক্রের অপতৎপরতা বন্ধ না হওয়ায় ফের কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিগত অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সমষ্টিগত স্বার্থ, ন্যায়বিচার এবং রেলওয়ে পোষ্যদের সাংবিধানিক ও নৈতিক অধিকার রক্ষার তাগিদে হ-য-ব-র-ল ও বিভ্রান্তিমূলক আচরণে লিপ্ত এক দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে “অবস্থান” কর্মসূচি পালন করা হবে।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী—
আগামী বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬,
সকাল ১০টায়,
চট্টগ্রাম সিআরবি দপ্তর প্রাঙ্গণে
এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির এক বিবৃতিতে বলেন,
“দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন ও আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আমরা বহুবার প্রমাণ করেছি—সংগঠিত ও ন্যায়ভিত্তিক সংগ্রাম কখনো ব্যর্থ হয় না। তবুও অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে আজও কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে পোষ্যদের ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে।”
তিনি আরও বলেন,
“ব্যক্তিগতভাবে আমরা সংঘাত চাই না। কিন্তু যখন সমষ্টিগত স্বার্থ, ন্যায়বিচার এবং রেলওয়ে পোষ্যদের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে পড়ে, তখন আপসহীন অবস্থান নেওয়াই দায়িত্ব। এই কর্মসূচি কোনো ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নয়—এটি দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অনিয়মের বিরুদ্ধে এবং প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে।”
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সকল নেতা-কর্মী ও সদস্যদের শৃঙ্খলা, সতর্কতা ও দায়িত্ববোধ বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পন্থায় কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করাই এর মূল লক্ষ্য।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়—
“দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান আপসহীন থাকবে। ন্যায় ও অধিকারের প্রশ্নে কোনো ছাড় নেই।”
বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সকল দায়িত্বশীল নেতা-কর্মী ও সাধারণ সদস্যদের নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত থেকে কর্মসূচিকে সফল করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রেলওয়ের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে এই ধরনের সংগঠিত অবস্থান কর্মসূচি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে এবং পোষ্যদের অধিকার প্রশ্নে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত ঘটাতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন