ঢাকা   শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক রেলওয়ে বার্তা
ই-জাতীয় সংসদ প্রকল্প পর্যালোচনায় ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে কমিটি

ই-জাতীয় সংসদ প্রকল্প পর্যালোচনায় ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে কমিটি

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রণীত ‘ই-জাতীয় সংসদ প্রজেক্ট (e-JSP)’ দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ১০ সদস্যের ‘ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ- এর সার্বিক নির্দেশনা অনুযায়ী ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে সভাপতি করে সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়েছে।কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন সংসদ সদস্য এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ, সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিনকাসেম, সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ এবং সংসদ সদস্য আন্না মিন্জ। এই নবগঠিত কমিটির সচিব হিসেবে প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মহাপরিচালক (বিঅ্যান্ডআইটি)।গঠিত এই কমিটির মূল কার্যপরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে ইউএনডিপি প্রণীত ‘ই-জাতীয় সংসদ প্রজেক্ট’ শীর্ষক আধুনিকায়নের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়া। এর পাশাপাশি দেশে আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর ই-পার্লামেন্ট গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় যাবতীয় বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করার অধিকার দেওয়া হয়েছে এই কমিটিকে। এছাড়া ই-পার্লামেন্ট প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠু ও মসৃণভাবে এগিয়ে নেওয়ার স্বার্থে কমিটি চাইলে প্রয়োজন অনুসারে পরে আরও সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।
১০ ঘন্টা আগে

মাসুদ সারওয়ারের বিরুদ্ধে ঈদ ডিউটিতে গাফিলতি ও টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ

মাসুদ সারওয়ারের বিরুদ্ধে ঈদ ডিউটিতে গাফিলতি ও টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের অডিট আপত্তির বিষয়ে প্রচারিত সংবাদের ব্যাখ্যা

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের অডিট আপত্তির বিষয়ে প্রচারিত সংবাদের ব্যাখ্যা

বাংলাধারা ডটকম ও দৈনিক আজাদী'র সংবাদ প্রত্যাহার ও সংশোধনের দাবি, ৭ দিনের আল্টিমেটাম

বাংলাধারা ডটকম ও দৈনিক আজাদী'র সংবাদ প্রত্যাহার ও সংশোধনের দাবি, ৭ দিনের আল্টিমেটাম

ইলেক্ট্রিক ট্রেন চালুর বিষয়ে ইউরোপীয় রেল শিল্পের সঙ্গে আলোচনা

ইলেক্ট্রিক ট্রেন চালুর বিষয়ে ইউরোপীয় রেল শিল্পের সঙ্গে আলোচনা

রেলওয়ের চট্টগ্রাম জোনাল স্পোর্টস কাউন্সিলের ২০২৬-২৭ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

রেলওয়ের চট্টগ্রাম জোনাল স্পোর্টস কাউন্সিলের ২০২৬-২৭ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বাংলাদেশ রেলওয়ের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে অপতথ্য প্রচার, সতর্ক করল রেলওয়ে

বাংলাদেশ রেলওয়ের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে অপতথ্য প্রচার, সতর্ক করল রেলওয়ে

বিনা বিচারে রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী অপসারণ অসাংবিধানিক: হাইকোর্টে রিটের প্রস্তুতি

বিনা বিচারে রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী অপসারণ অসাংবিধানিক: হাইকোর্টে রিটের প্রস্তুতি

ইনোট্রান্স ২০২৬-এ রেলের বৈদ্যুতিক ট্রেন ও ডাবললাইন প্রকল্পে অর্থায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

ইনোট্রান্স ২০২৬-এ রেলের বৈদ্যুতিক ট্রেন ও ডাবললাইন প্রকল্পে অর্থায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

ওয়াশিং প্ল্যান্ট প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ তথ্যনির্ভর নয়: রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দাবি

ওয়াশিং প্ল্যান্ট প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ তথ্যনির্ভর নয়: রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দাবি

হাজারীবাগে বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

হাজারীবাগে বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

স্কুল-কলেজে জরুরি নির্দেশনা

স্কুল-কলেজে জরুরি নির্দেশনা

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে কমিটি

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে কমিটি

দুর্গাপূজায় বিআরটিসির বিশেষ বাস সার্ভিস, প্রস্তুত ২০০ বাস

দুর্গাপূজায় বিআরটিসির বিশেষ বাস সার্ভিস, প্রস্তুত ২০০ বাস

আইএমএফের কাছ থেকে ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

আইএমএফের কাছ থেকে ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ ডেপুটি স্পিকারের

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ ডেপুটি স্পিকারের

হাসিনার দুপুরে খরচ সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়: চিফ হুইপ

হাসিনার দুপুরে খরচ সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়: চিফ হুইপ

ই-জাতীয় সংসদ প্রকল্প পর্যালোচনায় ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে কমিটি

ই-জাতীয় সংসদ প্রকল্প পর্যালোচনায় ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে কমিটি

কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

সমুদ্র সম্পদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি

সমুদ্র সম্পদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি

উত্তরার সড়কে প্রায় ৪ ঘণ্টা অবরোধ পোশাকশ্রমিকদের, ধাওয়া দিয়ে সরাল পুলিশ

উত্তরার সড়কে প্রায় ৪ ঘণ্টা অবরোধ পোশাকশ্রমিকদের, ধাওয়া দিয়ে সরাল পুলিশ

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার ব্যবহার বাড়াতে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। এ জন্য রিচার্জ করা এনার্জির ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ ছাড় (রিবেট) দেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব রাখা, প্রয়োজন অনুযায়ী রিচার্জ এবং খরচ নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রয়েছে প্রিপেইড মিটারে। এর ফলে গ্রাহকের অতিরিক্ত খরচের পরিমাণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।এ সুবিধার আওতায় প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ, অবশিষ্ট ব্যালেন্স ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব সহজে জানা যায়। ফলে গ্রাহক প্রয়োজন অনুযায়ী রিচার্জ করতে পারেন এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ পর্যবেক্ষণ করে মাসিক খরচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। অন্যদিকে পোস্টপেইড মিটারে মাস শেষে বিলের পরিমাণ জানা যায় বলে আগে থেকে ব্যয়ের হিসাব রাখা তুলনামূলক কঠিন হয়ে পড়ে।বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রিপেইড মিটারের উল্লেখযোগ্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে- অগ্রিম রাজস্ব আদায়, সিস্টেম লস হ্রাস, ওভারলোড নিয়ন্ত্রণ, লোড ম্যানেজমেন্ট এবং বিলিংয়ের নির্ভুলতা এসেছে। এছাড়া বিল তৈরি ও বিতরণে জনবল ব্যয় কমানো, গ্রাহকসেবার মান বৃদ্ধি, জরুরি ব্যালেন্স ও ‘ফ্রেন্ডলি আওয়ার’ সুবিধা এবং সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনেও বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। ভাড়াটিয়া ও সরকারি আবাসনে বিলিংসংক্রান্ত জটিলতা কমাতেও এ ব্যবস্থা ভূমিকা রাখছে।বিদ্যুৎ বিভাগ আরও জানায়, প্রিপেইড মিটারে গ্রাহক মোবাইল ব্যাংকিং, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যেকোনো সময় রিচার্জ করতে পারেন। এছাড়া বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার ভেন্ডিং স্টেশন, পিওএস এজেন্ট ও ব্যাংকের বুথ থেকেও রিচার্জের সুযোগ রয়েছে। ব্যালেন্স কমে গেলে মিটারে সতর্কসংকেত পাওয়া যায়। নির্ধারিত ‘ফ্রেন্ডলি আওয়ারে’ ব্যালেন্স শেষ হলেও জরুরি ক্রেডিট সুবিধায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ ব্যবস্থার অন্যতম সুবিধা হলো বিদ্যুৎ ব্যবহারের খরচ সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা পাওয়া। মিটারে থাকা ব্যালেন্স পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ফলে মাস শেষে হঠাৎ বড় অঙ্কের বিল আসার আশঙ্কাও তুলনামূলকভাবে কম থাকে।রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা সালেহ হাসান বলেন, প্রিপেইড মিটারে মাসের শুরুতে কত টাকা রিচার্জ করছেন, তার ওপর নির্ভর করে তিনি মাসজুড়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। ঘরে বসেই সহজে মিটার রিচার্জ করা যায়। একই সঙ্গে মিটারে কত টাকা অবশিষ্ট আছে, সেটিও জানা যায়। ফলে প্রয়োজন ছাড়া বিদ্যুৎ ব্যবহার না করার বিষয়ে তিনি এখন বেশি সচেতন।বগুড়া শহরের বাসিন্দা ও নেসকোর গ্রাহক মুজাহিদ শেখও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বাসসকে বলেন, অল্প কিছুদিন আগে তার বাসায় প্রিপেইড মিটার বসানো হয়েছে। আগে মাস শেষে কত টাকা বিল আসবে, তা জানা যেত না। এখন তিনি পরিকল্পনা অনুযায়ী রিচার্জ করেন এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন থাকেন।তার মতে, প্রিপেইড ও পোস্টপেইড মিটারে বিদ্যুতের মূল খরচ একই হলেও সচেতনভাবে ব্যবহার করলে প্রিপেইড মিটারে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।প্রিপেইড মিটারের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার রিডিং নেওয়া এবং সেই অনুযায়ী বিল তৈরি ও বিতরণের প্রয়োজন হয় না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা। তাদের মতে, এতে জনবল ও যাতায়াত ব্যয় সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি অগ্রিম বিল পরিশোধের কারণে বিতরণ সংস্থাগুলোর রাজস্ব আদায় সহজ হয় এবং বকেয়া বিল আদায়ের জটিলতা থাকছেন না।বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, প্রিপেইড সংযোগ নিতে কোনো নিরাপত্তা জামানত দিতে হয় না। আবাসিক গ্রাহকের অনুমোদিত লোডের প্রতি কিলোওয়াটের জন্য মাসে ৪২ টাকা ডিমান্ড চার্জ ও ৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সরবরাহ করা মিটারের ক্ষেত্রে সিঙ্গেল ফেজ মিটারের মাসিক ভাড়া ৪০ টাকা এবং থ্রি ফেজ মিটারের ভাড়া ২৫০ টাকা। প্রতি মাসের প্রথম রিচার্জের সময় ভ্যাট, ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া সমন্বয় করা হয়। এরপর অবশিষ্ট অর্থের ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ রিবেট যোগ হয়।উদাহরণ অনুযায়ী, ২ কিলোওয়াট অনুমোদিত লোডের একজন আবাসিক গ্রাহক জানুয়ারিতে প্রথমবার ১ হাজার টাকা রিচার্জ করলে ভ্যাট, ডিমান্ড চার্জ ও মিটারের ভাড়া বাবদ ১৭১ টাকা ৬২ পয়সা কাটা হবে। অবশিষ্ট টাকার শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ রিবেট যোগ হওয়ার পর বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য মিটারে জমা থাকবে ৮৩২ টাকা ৫২ পয়সা।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রিপেইড মিটারে কোনো ব্যালেন্স অবশিষ্ট থাকলে পরবর্তী মাসে নতুন করে রিচার্জ না করেও ওই অর্থ দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যায়। কোনো মাসে রিচার্জ না করলে ওই মাসের এবং আগের মাসগুলোর প্রযোজ্য ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া পরবর্তী রিচার্জের সময় সমন্বয় করা হয়।ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) লিড এনার্জি এনালিস্ট শফিকুল আলম বাসসকে বলেন, প্রিপেইড মিটার নিয়ে গ্রাহকদের বিভিন্ন উদ্বেগ ও সমস্যা কমাতে এবং এ ব্যবস্থাকে জনপ্রিয় করতে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।উদাহরণস্বরূপ, ডেসকোর অ্যাপে মিটারের অবশিষ্ট ব্যালেন্স ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণসহ বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়, যা বিল নিয়ে গ্রাহকদের উদ্বেগ দূর করতে সহায়তা করতে পারে। এছাড়া, জরুরি ব্যালেন্স ব্যবহারের সুবিধা থাকায় রিচার্জের টাকা শেষ হয়ে গেলেও গ্রাহকেরা সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এড়াতে পারেন।তিনি বলেন, প্রিপেইড মিটারের বিভিন্ন সুবিধা ও ব্যবহারবিধি সম্পর্কে তথ্যের ঘাটতি এবং গ্রাহকদের উদ্বেগ কমাতে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ বিষয়ে তথ্য প্রচার করা যেতে পারে।সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) প্রায় ২০ লাখ গ্রাহকের মধ্যে ১২ লাখ গ্রাহক প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করছেন। নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির (নেসকো) ২৩ লাখের বেশি গ্রাহকের মধ্যে প্রিপেইড মিটারের আওতায় এসেছেন প্রায় ১৪ লাখ গ্রাহক।অন্যদিকে, ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির (ডেসকো) ১৪ লাখ ১১ হাজার ৪৩০ জন গ্রাহকের মধ্যে ৯ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮১ জন প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করছেন। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) ১৭ লাখ ৫৫ হাজার ৯১৪ জন গ্রাহকের মধ্যে প্রিপেইড মিটার রয়েছে ৬ লাখ ৬৬ হাজার ৬২৭ জনের।এছাড়া বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বাবিউবো) মোট গ্রাহক সংখ্যা ৪৬ লাখ ৫ হাজার ১৯ জন। যার মধ্যে প্রিপেইড মিটারের আওতায় এসেছেন ৩৬ লাখ ৮ হাজার ৩৩১ জন।এর বাইরে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) অধীন গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ। এর মধ্যে প্রিপেইড মিটারের আওতায় এসেছেন প্রায় ১৫ লাখ গ্রাহক।বিদ্যুত বিভাগ জানিয়েছে, প্রিপেইড মিটার সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বা অভিযোগের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রীয় হটলাইন ১৬৯৯৯ চালু রয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোও নিজস্ব হটলাইন চালু রেখেছে।নেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মশিউর রহমান বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের সব গ্রাহককে পর্যায়ক্রমে প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনা হবে। এটা অনেকাংশে বাস্তবায়নও হয়েছে। শুরুতে কিছু এলাকায় গ্রাহকদের মধ্যে এ ব্যবস্থা নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব ছিল। তবে বর্তমানে তেমন সমস্যা নেই। ইতোমধ্যে নেসকোর ৬০ শতাংশের বেশি গ্রাহকের প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) নূর আহমদ বলেন, প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে রিবেটসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। এতে গ্রাহকের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমতে পারে। বর্তমান ও ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার অপরিহার্য। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ কমিয়ে আনা সম্ভব।

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন