বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) জনাব মো. আফজাল হোসেন মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা একজন দক্ষ ও দূরদর্শী কর্মকর্তা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির।
এক প্রতিক্রিয়ায় মনিরুজ্জামান মনির বলেন, “আফজাল হোসেন একজন মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা। তিনি রেলওয়ের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করে বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা দেখিয়েছেন। মাঠের বাস্তবতা জানা নেতৃত্ব হিসেবে তাঁর কাজ করার ধরণ রেলওয়ের জন্য ইতিবাচক।”
তিনি আরও বলেন, “রেলওয়ের মতো একটি বৃহৎ ও জটিল প্রতিষ্ঠানে নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহাপরিচালক হিসেবে আফজাল হোসেন সেই অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন, যা কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করছে।”
বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি আশা প্রকাশ করে বলেন, “বর্তমান নেতৃত্বের মাধ্যমে রেলওয়ের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, সেবার মান উন্নয়ন এবং জনবল ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ের সমস্যা সরাসরি অনুধাবন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার যে মানসিকতা মহাপরিচালকের মধ্যে রয়েছে, তা রেলওয়ের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতৃত্ব বাংলাদেশ রেলওয়ের আধুনিকায়ন ও টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সেই প্রেক্ষাপটে মহাপরিচালক আফজাল হোসেনের ভূমিকা সময়োপযোগী ও কার্যকর বলে বিবেচিত হচ্ছে।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) জনাব মো. আফজাল হোসেন মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা একজন দক্ষ ও দূরদর্শী কর্মকর্তা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির।
এক প্রতিক্রিয়ায় মনিরুজ্জামান মনির বলেন, “আফজাল হোসেন একজন মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা। তিনি রেলওয়ের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করে বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা দেখিয়েছেন। মাঠের বাস্তবতা জানা নেতৃত্ব হিসেবে তাঁর কাজ করার ধরণ রেলওয়ের জন্য ইতিবাচক।”
তিনি আরও বলেন, “রেলওয়ের মতো একটি বৃহৎ ও জটিল প্রতিষ্ঠানে নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহাপরিচালক হিসেবে আফজাল হোসেন সেই অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন, যা কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করছে।”
বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি আশা প্রকাশ করে বলেন, “বর্তমান নেতৃত্বের মাধ্যমে রেলওয়ের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, সেবার মান উন্নয়ন এবং জনবল ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ের সমস্যা সরাসরি অনুধাবন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার যে মানসিকতা মহাপরিচালকের মধ্যে রয়েছে, তা রেলওয়ের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতৃত্ব বাংলাদেশ রেলওয়ের আধুনিকায়ন ও টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সেই প্রেক্ষাপটে মহাপরিচালক আফজাল হোসেনের ভূমিকা সময়োপযোগী ও কার্যকর বলে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন