ঢাকা   বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

ব্রাজিলের মাঝমাঠের সমাধান হতে পারেন ২১ বছরের তরুণ



ব্রাজিলের মাঝমাঠের সমাধান হতে পারেন ২১ বছরের তরুণ

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতাগুলোর একটি ছিল মাঝমাঠ। ফলে অনেক সময়ই আক্রমণভাগের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করতে হয়েছে তাদের। লুকাস পাকেতার অনুপস্থিতি, কাসেমিরোর ছন্দ হারানো এবং নরওয়ের বিপক্ষে ব্রুনো গুইমারেসের গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি মিস, সব মিলিয়ে মাঝমাঠের সংকটটা স্পষ্ট হয়ে উঠে।

বিশ্বকাপ এখন অতীত। কাসেমিরোর যুগও কার্যত শেষের পথে। ফলে ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন দল গড়ার সময় আনচেলত্তির হাতে রয়েছে। ব্রাজিলের মাঝমাঠে এরই মধ্যে নতুনদের নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেছেন তিনি। দানিলো সান্তোস, ব্রুনো গুইমারেস, ডগলাস লুইজ, ব্রেণো বিএদা ও আন্দ্রে সান্তোসের সঙ্গে সেই তালিকায় নতুন করে আলোচনায় এসেছেন গ্যাব্রিয়েল বনতেম্পো।

২১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের ব্রাজিল দলে প্রথম ডাকও এসেছে আনচেলত্তির অধীনে। সান্তোসের হয়ে খেলা বনতেম্পো ২৩ সেপ্টেম্বর প্রথমবার জাতীয় দলের ডাক পাওয়ার পর বলেছেন, ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের জার্সি পরার স্বপ্ন ছিল তার।

উবেরাবায় জন্ম নেওয়া বনতেম্পো মাত্র ১১ বছর বয়সে সান্তোসের একাডেমিতে যোগ দেন। বয়সভিত্তিক দল পেরিয়ে ২০২২ সালের জুলাইয়ে ক্লাবটির সঙ্গে প্রথম পেশাদার চুক্তি করেন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে মূল দলে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন এই তরুণ।

চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বনতেম্পোর অবদানও নজরকাড়া। ২০২৬ সালে তার নামের পাশে রয়েছে ৫ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। সান্তোসের হয়ে নিয়মিত শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়ে তিনি এখন ব্রাজিলের ঘরোয়া ফুটবলের আলোচিত তরুণদের একজন।

তার সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ তৈরি করা। বল পায়ে চাপের মধ্যেও শান্ত থাকা, ছোট পাসে সতীর্থদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা এবং বল নিয়ে দ্রুত সামনে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা তাকে আলাদা করে তুলেছে। শুধু সুযোগ তৈরি করাই নয়, প্রয়োজনের মুহূর্তে নিজেও আক্রমণে উঠে আসতে পারেন তিনি।

পজিশন বদলে খেলার সক্ষমতাও বনতেম্পোর অন্যতম বড় গুণ। মূলত মিডফিল্ডার হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী উইংয়েও তাকে ব্যবহার করা যায়। ফলে আক্রমণ ও মাঝমাঠের মধ্যে সংযোগ তৈরির ক্ষেত্রে তার বহুমুখিতা ব্রাজিলের জন্য বাড়তি সুবিধা হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ব্রাজিলের মাঝমাঠের সমাধান হতে পারেন ২১ বছরের তরুণ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতাগুলোর একটি ছিল মাঝমাঠ। ফলে অনেক সময়ই আক্রমণভাগের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করতে হয়েছে তাদের। লুকাস পাকেতার অনুপস্থিতি, কাসেমিরোর ছন্দ হারানো এবং নরওয়ের বিপক্ষে ব্রুনো গুইমারেসের গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি মিস, সব মিলিয়ে মাঝমাঠের সংকটটা স্পষ্ট হয়ে উঠে।

বিশ্বকাপ এখন অতীত। কাসেমিরোর যুগও কার্যত শেষের পথে। ফলে ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন দল গড়ার সময় আনচেলত্তির হাতে রয়েছে। ব্রাজিলের মাঝমাঠে এরই মধ্যে নতুনদের নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেছেন তিনি। দানিলো সান্তোস, ব্রুনো গুইমারেস, ডগলাস লুইজ, ব্রেণো বিএদা ও আন্দ্রে সান্তোসের সঙ্গে সেই তালিকায় নতুন করে আলোচনায় এসেছেন গ্যাব্রিয়েল বনতেম্পো।

২১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের ব্রাজিল দলে প্রথম ডাকও এসেছে আনচেলত্তির অধীনে। সান্তোসের হয়ে খেলা বনতেম্পো ২৩ সেপ্টেম্বর প্রথমবার জাতীয় দলের ডাক পাওয়ার পর বলেছেন, ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের জার্সি পরার স্বপ্ন ছিল তার।

উবেরাবায় জন্ম নেওয়া বনতেম্পো মাত্র ১১ বছর বয়সে সান্তোসের একাডেমিতে যোগ দেন। বয়সভিত্তিক দল পেরিয়ে ২০২২ সালের জুলাইয়ে ক্লাবটির সঙ্গে প্রথম পেশাদার চুক্তি করেন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে মূল দলে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন এই তরুণ।

চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বনতেম্পোর অবদানও নজরকাড়া। ২০২৬ সালে তার নামের পাশে রয়েছে ৫ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। সান্তোসের হয়ে নিয়মিত শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়ে তিনি এখন ব্রাজিলের ঘরোয়া ফুটবলের আলোচিত তরুণদের একজন।

তার সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ তৈরি করা। বল পায়ে চাপের মধ্যেও শান্ত থাকা, ছোট পাসে সতীর্থদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা এবং বল নিয়ে দ্রুত সামনে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা তাকে আলাদা করে তুলেছে। শুধু সুযোগ তৈরি করাই নয়, প্রয়োজনের মুহূর্তে নিজেও আক্রমণে উঠে আসতে পারেন তিনি।

পজিশন বদলে খেলার সক্ষমতাও বনতেম্পোর অন্যতম বড় গুণ। মূলত মিডফিল্ডার হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী উইংয়েও তাকে ব্যবহার করা যায়। ফলে আক্রমণ ও মাঝমাঠের মধ্যে সংযোগ তৈরির ক্ষেত্রে তার বহুমুখিতা ব্রাজিলের জন্য বাড়তি সুবিধা হতে পারে।



দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির) 

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক রেলওয়ে বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত