ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

ইলিয়াসের পর একই থানার এএসআই অতনুর ঘুস নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল



ইলিয়াসের পর একই থানার এএসআই অতনুর ঘুস নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) অতনু বণিকের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ঘুস গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে মাসুদ আলম নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পেজ ‘আইটিভি’-তে এএসআই অতনু বণিকের কথোপকথন ও অর্থ লেনদেনের দৃশ্যসংবলিত ভিডিওটি প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে। 

এর আগে সোমবার (৫ অক্টোবর) একই থানার আরেক এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের ঘুস সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় থানার দুই কর্মকর্তাকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এএসআই অতনু বণিকের সঙ্গে এক ব্যক্তির কথোপকথন এবং অর্থ লেনদেনের দৃশ্য দেখা যায় বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। ভিডিওতে তাদের কথোপকথনের কিছু অংশও শোনা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিডিওটি প্রায় ৬ মাস আগের এবং তৎকালীন থানার ওসি শফিকুল ইসলামের দায়িত্ব পালনকালের ঘটনা বলে দাবি করা হচ্ছে।

নতুন করে ঘুস লেনদেনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় চুনারুঘাটে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এএসআই অতনু বণিক সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি দ্রুত যাচাই করে এর সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত প্রেক্ষাপট বের করা হোক। 

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে, এর মাত্র একদিন আগে চুনারুঘাট থানার আরেক এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে ঘুস গ্রহণসংক্রান্ত কথোপকথন ও মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাকে থানা থেকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়।

একই থানার দুই এএসআইয়ের বিরুদ্ধে একের পর এক ঘুস সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় থানার অভ্যন্তরীণ তদারকি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে তুলে ধরা হোক।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামের বক্তব্য জানতে তার মোবাইলে কল দেওয়া হলে তিনি জানান, বিষয়টি জেনেছি। বিস্তারিত জেনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযুক্ত এএসআই অতনু বণিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


ইলিয়াসের পর একই থানার এএসআই অতনুর ঘুস নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) অতনু বণিকের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ঘুস গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে মাসুদ আলম নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পেজ ‘আইটিভি’-তে এএসআই অতনু বণিকের কথোপকথন ও অর্থ লেনদেনের দৃশ্যসংবলিত ভিডিওটি প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে। 

এর আগে সোমবার (৫ অক্টোবর) একই থানার আরেক এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের ঘুস সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় থানার দুই কর্মকর্তাকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এএসআই অতনু বণিকের সঙ্গে এক ব্যক্তির কথোপকথন এবং অর্থ লেনদেনের দৃশ্য দেখা যায় বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। ভিডিওতে তাদের কথোপকথনের কিছু অংশও শোনা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিডিওটি প্রায় ৬ মাস আগের এবং তৎকালীন থানার ওসি শফিকুল ইসলামের দায়িত্ব পালনকালের ঘটনা বলে দাবি করা হচ্ছে।

নতুন করে ঘুস লেনদেনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় চুনারুঘাটে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এএসআই অতনু বণিক সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি দ্রুত যাচাই করে এর সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত প্রেক্ষাপট বের করা হোক। 

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে, এর মাত্র একদিন আগে চুনারুঘাট থানার আরেক এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে ঘুস গ্রহণসংক্রান্ত কথোপকথন ও মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাকে থানা থেকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়।

একই থানার দুই এএসআইয়ের বিরুদ্ধে একের পর এক ঘুস সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় থানার অভ্যন্তরীণ তদারকি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে তুলে ধরা হোক।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলামের বক্তব্য জানতে তার মোবাইলে কল দেওয়া হলে তিনি জানান, বিষয়টি জেনেছি। বিস্তারিত জেনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযুক্ত এএসআই অতনু বণিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির) 

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক রেলওয়ে বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত