ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি, আলোচনায় যারা



ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি, আলোচনায় যারা

রাড্ডা সেন্টারের ঘটনাসহ নানা ইস্যুতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। একই দিন বিলুপ্ত করা হয় মহানগর উত্তর যুবদল ও পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটিও। এসব কমিটি বিলুপ্তির পর উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর বিএনপির নতুন নেতৃত্ব নিয়ে দলটির অভ্যন্তরে আলোচনা জোরালো হয়েছে।

নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক বা সভাপতি এবং সদস্যসচিব বা সাধারণ সম্পাদক পদে কারা আসতে পারেন, তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় পুরোনো কমিটির পরিচিত নেতাদের পাশাপাশি উঠে আসছে বেশ কয়েকজন নতুন মুখের নামও। কাঙ্ক্ষিত পদ পেতে এরই মধ্যে বিএনপির নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগাযোগ ও তদবির শুরু করেছেন কেউ কেউ।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সম্ভাব্য নতুন কমিটির শীর্ষ পদে পুরোনো মুখ নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে। সভাপতি কিংবা আহ্বায়ক পদে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক আমিনুল হক। ফলে পুরোনো নেতাকর্মীদের একটি অংশ তাকে ঘিরে নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছে। গত ৫ অক্টোবর গুলশানে থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাকে সভাপতি করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইউসুফ এবং ১ নম্বর সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ারও আমিনুল হকের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, দলের কঠিন সময়ে মাঠে সক্রিয় ছিলেন আমিনুল হক। নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগও রয়েছে। সভাপতি পদের আলোচনায় আরও রয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ-সদস্য ও সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মামুন হাসান, মহানগর উত্তরের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুনের নামও।

অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক বা সদস্যসচিব পদের আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন বিলুপ্ত কমিটির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান। তার সঙ্গে যুগ্ম আহ্বায়ক আফাজ উদ্দিনের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া সাবেক কমিশনার ও বিলুপ্ত কমিটির ১ নম্বর সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মহানগর উত্তরের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাজি ইউসুফ ও সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক এবং যুবদল মহানগর উত্তরের সাবেক আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েলের নামও আলোচনায় রয়েছে। এর বাইরে আরও অনেকে নতুন কমিটিতে জায়গা পেতে লবিং করছেন বলে জানা গেছে।

এস এম জাহাঙ্গীর যুগান্তরকে বলেন, দলের নীতিনির্ধারকরাই সাংগঠনিক দক্ষতা ও অতীতের ভূমিকা মূল্যায়ন করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন। এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে যখন যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা আমি সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে যথাযথভাবে পালন করেছি। প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ আছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি, আলোচনায় যারা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাড্ডা সেন্টারের ঘটনাসহ নানা ইস্যুতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। একই দিন বিলুপ্ত করা হয় মহানগর উত্তর যুবদল ও পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটিও। এসব কমিটি বিলুপ্তির পর উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর বিএনপির নতুন নেতৃত্ব নিয়ে দলটির অভ্যন্তরে আলোচনা জোরালো হয়েছে।

নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক বা সভাপতি এবং সদস্যসচিব বা সাধারণ সম্পাদক পদে কারা আসতে পারেন, তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় পুরোনো কমিটির পরিচিত নেতাদের পাশাপাশি উঠে আসছে বেশ কয়েকজন নতুন মুখের নামও। কাঙ্ক্ষিত পদ পেতে এরই মধ্যে বিএনপির নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগাযোগ ও তদবির শুরু করেছেন কেউ কেউ।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সম্ভাব্য নতুন কমিটির শীর্ষ পদে পুরোনো মুখ নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে। সভাপতি কিংবা আহ্বায়ক পদে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক আমিনুল হক। ফলে পুরোনো নেতাকর্মীদের একটি অংশ তাকে ঘিরে নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছে। গত ৫ অক্টোবর গুলশানে থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাকে সভাপতি করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইউসুফ এবং ১ নম্বর সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ারও আমিনুল হকের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, দলের কঠিন সময়ে মাঠে সক্রিয় ছিলেন আমিনুল হক। নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগও রয়েছে। সভাপতি পদের আলোচনায় আরও রয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ-সদস্য ও সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মামুন হাসান, মহানগর উত্তরের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুনের নামও।

অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক বা সদস্যসচিব পদের আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন বিলুপ্ত কমিটির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান। তার সঙ্গে যুগ্ম আহ্বায়ক আফাজ উদ্দিনের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া সাবেক কমিশনার ও বিলুপ্ত কমিটির ১ নম্বর সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মহানগর উত্তরের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাজি ইউসুফ ও সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক এবং যুবদল মহানগর উত্তরের সাবেক আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েলের নামও আলোচনায় রয়েছে। এর বাইরে আরও অনেকে নতুন কমিটিতে জায়গা পেতে লবিং করছেন বলে জানা গেছে।

এস এম জাহাঙ্গীর যুগান্তরকে বলেন, দলের নীতিনির্ধারকরাই সাংগঠনিক দক্ষতা ও অতীতের ভূমিকা মূল্যায়ন করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন। এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে যখন যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা আমি সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে যথাযথভাবে পালন করেছি। প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ আছে।


দৈনিক রেলওয়ে বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির) 

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক রেলওয়ে বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত