এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে হবিগঞ্জের মাধবপুরের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতার দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্ট্যাটাসে পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেছেন- ‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না।’
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্টটি দেন মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবু।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, তাকে গ্রেফতারের জন্য মাধবপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন তার বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। একই স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগ নেতা সিরাজের গ্রেফতারের বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।
স্ট্যাটাসে আতাউস সামাদ বাবু লেখেন, দেলোয়ার সাহেবদের নাম-ঠিকানা আমরা রাখছি, কারণ তারাও পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।’ তার এ বক্তব্য ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে বাবুর অভিযোগ নাকচ করেছেন এএসআই দেলোয়ার হোসেন। তার দাবি, ফেসবুকে তাকে নিয়ে ভিত্তিহীন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মাদকের একটি মামলার তদন্তের কাজে বাবুর গ্রামের পাশে গিয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ফেসবুকে লেখালেখি করা হয়েছে।
দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, স্বীয় দায়িত্ব ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার বাইরে ব্যক্তিগতভাবে আমাদের কিছু করার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে দেখব।
জানা গেছে, এএসআই দেলোয়ার হোসেন মাধবপুর থানার অধীন কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত। ওয়ারেন্ট তামিলে ভালো কাজের জন্য তিনি হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন বলেও জানা গেছে।
অন্যদিকে, আতাউস সামাদ বাবু মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ছিলেন। এর আগে তিনি চৌমুহনী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবেও তার নাম আলোচনায় এসেছিল।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে হবিগঞ্জের মাধবপুরের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতার দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্ট্যাটাসে পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেছেন- ‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না।’
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্টটি দেন মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবু।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, তাকে গ্রেফতারের জন্য মাধবপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন তার বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। একই স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগ নেতা সিরাজের গ্রেফতারের বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।
স্ট্যাটাসে আতাউস সামাদ বাবু লেখেন, দেলোয়ার সাহেবদের নাম-ঠিকানা আমরা রাখছি, কারণ তারাও পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।’ তার এ বক্তব্য ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে বাবুর অভিযোগ নাকচ করেছেন এএসআই দেলোয়ার হোসেন। তার দাবি, ফেসবুকে তাকে নিয়ে ভিত্তিহীন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মাদকের একটি মামলার তদন্তের কাজে বাবুর গ্রামের পাশে গিয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ফেসবুকে লেখালেখি করা হয়েছে।
দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, স্বীয় দায়িত্ব ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার বাইরে ব্যক্তিগতভাবে আমাদের কিছু করার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে দেখব।
জানা গেছে, এএসআই দেলোয়ার হোসেন মাধবপুর থানার অধীন কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত। ওয়ারেন্ট তামিলে ভালো কাজের জন্য তিনি হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন বলেও জানা গেছে।
অন্যদিকে, আতাউস সামাদ বাবু মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ছিলেন। এর আগে তিনি চৌমুহনী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবেও তার নাম আলোচনায় এসেছিল।

আপনার মতামত লিখুন