ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চিঠি লিখেছিল তেহরানের ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। শিশুটির সেই চিঠির জবাব দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে শিশুটির জন্য পাঠিয়েছেন একটি উপহারও।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর তেহরানের বাসিন্দা আলিরেজা বাখশি ইরাজ নামের ওই শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ নেতার উদ্দেশে একটি আবেগপূর্ণ চিঠি লেখে।
চিঠিতে আলিরেজা সর্বোচ্চ নেতার দিকনির্দেশনার প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। পাশাপাশি কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে কিছু অর্থ উপহার দেয়। সেই অর্থ ইসলামি যোদ্ধাদের সহায়তায় ব্যবহারের অনুরোধও জানায় সে।
চিঠিতে শিশুটি লেখে, ‘সত্যি বলতে, আমার চিঠি আপনার কাছে পৌঁছাবে কি না, জানি না। আমার ইচ্ছা, আপনার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারতাম। আপনার দিকনির্দেশনার জন্য আমরা আপনার কাছে অনেক ঋণী।’
চিঠির শেষে সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে দেখা করার আশা প্রকাশ করে এবং বিলম্বিত জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানায় আলিরেজা।
চিঠিটি সর্বোচ্চ নেতার কাছে পৌঁছানোর পর তিনি শিশুটিকে জবাব দেন। গত ১১ অক্টোবর লেখা ওই চিঠিতে আলিরেজাকে ‘প্রিয় বন্ধু’ সম্বোধন করে তার আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ জানান মোজতবা খামেনি।
জবাবে তিনি লেখেন, ‘তোমার আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ। তবে এই বিনীত সেবকের জন্ম হয়েছে এসফান্দ মাসে (ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের শুরুর সময়)। তোমার উদারতার তুলনায় উপহারটি খুবই সামান্য হলেও তোমাকে পালটা একটি উপহার দিচ্ছি। তোমার পরিবারের সবাইকে আমার সালাম জানাবে।’
চিঠির শেষে শিশুটির হাতের লেখার প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘তোমার হাতের লেখা খুব সুন্দর।’
সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে পাওয়া উপহারের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে উপহারটি কী ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চিঠি লিখেছিল তেহরানের ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। শিশুটির সেই চিঠির জবাব দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে শিশুটির জন্য পাঠিয়েছেন একটি উপহারও।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর তেহরানের বাসিন্দা আলিরেজা বাখশি ইরাজ নামের ওই শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ নেতার উদ্দেশে একটি আবেগপূর্ণ চিঠি লেখে।
চিঠিতে আলিরেজা সর্বোচ্চ নেতার দিকনির্দেশনার প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। পাশাপাশি কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে কিছু অর্থ উপহার দেয়। সেই অর্থ ইসলামি যোদ্ধাদের সহায়তায় ব্যবহারের অনুরোধও জানায় সে।
চিঠিতে শিশুটি লেখে, ‘সত্যি বলতে, আমার চিঠি আপনার কাছে পৌঁছাবে কি না, জানি না। আমার ইচ্ছা, আপনার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারতাম। আপনার দিকনির্দেশনার জন্য আমরা আপনার কাছে অনেক ঋণী।’
চিঠির শেষে সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে দেখা করার আশা প্রকাশ করে এবং বিলম্বিত জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানায় আলিরেজা।
চিঠিটি সর্বোচ্চ নেতার কাছে পৌঁছানোর পর তিনি শিশুটিকে জবাব দেন। গত ১১ অক্টোবর লেখা ওই চিঠিতে আলিরেজাকে ‘প্রিয় বন্ধু’ সম্বোধন করে তার আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ জানান মোজতবা খামেনি।
জবাবে তিনি লেখেন, ‘তোমার আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ। তবে এই বিনীত সেবকের জন্ম হয়েছে এসফান্দ মাসে (ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের শুরুর সময়)। তোমার উদারতার তুলনায় উপহারটি খুবই সামান্য হলেও তোমাকে পালটা একটি উপহার দিচ্ছি। তোমার পরিবারের সবাইকে আমার সালাম জানাবে।’
চিঠির শেষে শিশুটির হাতের লেখার প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘তোমার হাতের লেখা খুব সুন্দর।’
সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে পাওয়া উপহারের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে উপহারটি কী ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন